
ব্যবহারকারীদের অজান্তেই নিয়মিত তথ্য পাচার করে স্মার্টফোন, কেন ?
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের তথ্যমতে, ফোন সচল রাখা, সফটওয়্যার হালনাগাদ এবং অপারেটিং সিস্টেমে কোনো ত্রুটি আছে কি না, তা শনাক্তের জন্য নির্দিষ্ট কিছু তথ্য ফোনের নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানো প্রয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে আইএমইআই নম্বর, হার্ডওয়্যার সিরিয়াল নম্বর ও সিম–সংক্রান্ত তথ্য। এ ছাড়া ফোনের কর্মক্ষমতা ও সিস্টেমের অবস্থা বোঝার জন্য টেলিমেট্রি তথ্য, পুশ নোটিফিকেশন ও অপারেটিং সিস্টেম আপডেট যাচাই, সফটওয়্যার ত্রুটি বা ক্র্যাশ–সংক্রান্ত লগ এবং ইন্টারনেট সংযোগের ধরন–সম্পর্কিত তথ্যও প্রয়োজন হয়।
ফোনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যানালিটিকস ও ডায়াগনস্টিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এসব তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে কখন কোন অ্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে, কতক্ষণ ব্যবহার করা হচ্ছে বা ফোনে নির্দিষ্ট কোনো সিস্টেম কার্যক্রম কখন ঘটছে এ ধরনের আচরণগত তথ্য পাওয়া যায়। এই তথ্যগুলো নির্মাতা প্রতিষ্ঠান, বিজ্ঞাপনদাতা বা অন্যান্য তৃতীয় পক্ষের কাছে পাঠানো হলেও অনেক ক্ষেত্রেই ব্যবহারকারীর স্পষ্ট সম্মতি নেওয়া হয় না। মূল উদ্দেশ্য থাকে ব্যবহারকারীর অভ্যাস ও আচরণের ভিত্তিতে একটি ডিজিটাল প্রোফাইল তৈরি করা, যাতে লক্ষ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপন দেখানো যায়।

