
নতুনদের জন্য ৩টি ফ্রিল্যান্সিং হ্যাক
বেশিরভাগ নতুন ফ্রিল্যান্সার ব্যর্থ হয় স্কিলের অভাবে নয়,
বরং তারা ফ্রিল্যান্সিংকে ব্যবসা না ভেবে চাকরির আবেদন মনে করে।
এই ৩টি হ্যাক সেই ভুলটাই ভাঙবে।
হ্যাক ১: স্কিল নয়, ফলাফল বিক্রি করুন
ক্লায়েন্ট “আপনি কী করেন” তা কেনে না,
ক্লায়েন্ট কেনে আপনার কাজের পর কী বদলাবে।
❌ “আমি গ্রাফিক ডিজাইন করি”
✅ “আমি এমন ডিজাইন করি যেটা কাস্টমার কনভার্সন বাড়ায়”
👉 নিজের সার্ভিস বর্ণনা করুন এভাবে:
-
সময় বাঁচবে কীভাবে?
-
বিক্রি বাড়বে কীভাবে?
-
ঝামেলা কমবে কীভাবে?
📌 ফলাফল দেখাতে পারলে, দাম নিয়ে দরকষাকষি কমে যায়।
হ্যাক ২: প্রথমে নিস (Niche) ধরুন, প্ল্যাটফর্ম নয়
সব কাজ সবার জন্য করলে,
শেষ পর্যন্ত কেউই আপনাকে মনে রাখে না।
নতুনদের জন্য সেরা ফর্মুলা:
একটি সমস্যা + একটি অডিয়েন্স + একটি সমাধান
উদাহরণ:
-
ফেসবুক অ্যাড → শুধু লোকাল বিজনেসের জন্য
-
ওয়েবসাইট → শুধু সার্ভিস ভিত্তিক কোম্পানির জন্য
-
কনটেন্ট → শুধু ই-কমার্স ব্র্যান্ডের জন্য
📌 নিস ধরলে কম প্রপোজাল পাঠিয়েও বেশি রিপ্লাই আসে।
হ্যাক ৩: পোর্টফোলিও বানান কাজ দেখিয়ে, সার্টিফিকেট দেখিয়ে নয়
ক্লায়েন্ট সার্টিফিকেট দেখে না,
ক্লায়েন্ট দেখে আপনি তার সমস্যাটা বুঝতে পারছেন কিনা।
পোর্টফোলিওতে রাখুন:
-
সমস্যাটা কী ছিল
-
আপনি কী সমাধান দিলেন
-
কী ফলাফল এসেছে (সংখ্যা হলে সবচেয়ে ভালো)
👉 কাজ না থাকলে:
-
নিজের আইডিয়া নিয়ে কাজ করুন
-
ফেক ক্লায়েন্ট কেস স্টাডি বানান
-
আগের ছোট কাজকে বড় করে উপস্থাপন করুন
📌 একটা ভালো কেস স্টাডি = ১০টা সার্টিফিকেট।
শেষ কথা
ফ্রিল্যান্সিং কোনো “শর্টকাট ইনকাম” না।
এটা একটা দীর্ঘমেয়াদি স্কিল + বিশ্বাসের খেলা।
যারা এটাকে ব্যবসার মতো নেয়,
তারাই শেষ পর্যন্ত নিয়মিত ইনকাম করে।

